দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

চাঁদাবাজির মামলায় দৈনিক কালবেলার বরগুনা প্রতিনিধি আসাদুল হক সবুজকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ। তবে কোনো মাদক-সংক্রান্ত অভিযোগ না থাকা সত্ত্বেও তার ডোপ টেস্ট করানো এবং হাত পেছনে মুড়ে হাতকড়া পরিয়ে আদালতে তোলায় স্থানীয় সাংবাদিকদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও পুলিশের ভূমিকার সমালোচনা করছেন সাংবাদিকরা।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) রাতে বরগুনা সদর উপজেলার ভুতমারা এলাকার নিজ বাসার সামনে থেকে আসাদুল হক সবুজকে গ্রেপ্তার করে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
বৃহস্পতিবার তাকে হাত পেছনে মুড়ে হাতকড়া পরানো অবস্থায় বরগুনার অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-১-এ হাজির করা হয়। শুনানি শেষে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
মামলা সূত্রে জানা যায়, গত ১৬ সেপ্টেম্বর বরগুনা সদর থানায় এক কোটি টাকা চাঁদাবাজি, অনধিকার প্রবেশ ও ভাঙচুরের অভিযোগে স্বপন কুমার ঘোষ নামের এক ব্যক্তি মামলাটি করেন। মামলার এজাহারে বলা হয়, ১১ সেপ্টেম্বর আসামিরা বাদীর প্লটের কাজে বাধা দিয়ে চাঁদা দাবি করেন এবং সেখানে আনুমানিক ৫০ লাখ টাকার ক্ষতি করেন।
পুলিশ জানিয়েছে, ওই ঘটনায় আসাদুল হক সবুজের সম্পৃক্ততার প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
তবে আসাদুলের বাবা জিয়াউল হক আবু অভিযোগ করেন, বাদীর সঙ্গে তাদের দীর্ঘদিনের জমি নিয়ে বিরোধ রয়েছে। এ নিয়ে একাধিকবার সালিশ-বৈঠকও হয়েছে। কিন্তু হঠাৎ করে সালিশকারীদের নামেই চাঁদাবাজির মামলা করা হয় এবং ষড়যন্ত্রমূলকভাবে তার ছেলেকে আসামি করা হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘আমার ছেলের ওপর ভিত্তিহীনভাবে ডোপ টেস্ট করা হয়েছে। পরীক্ষার প্রতিবেদন নেগেটিভ এসেছে। ডোপ টেস্টের মাধ্যমে পরিবারকে সামাজিকভাবে হেয় করা হয়েছে। তাছাড়া তাকে হত্যা মামলার আসামিদের মতো হাত পেছনে মুড়ে হাতকড়া পরিয়ে আদালতে নেওয়া হয়েছে, যা অত্যন্ত অপমানজনক।’
এদিকে কোনো মাদক-সংক্রান্ত অভিযোগ না থাকা সত্ত্বেও একজন কর্মরত সাংবাদিকের ডোপ টেস্ট এবং হাত পেছনে মুড়ে হাতকড়া পরানোর ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিবাদ জানাচ্ছেন বরগুনার সাংবাদিকরা।
এ বিষয়ে বরগুনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু হাসনাইন পারভেজ ডোপ টেস্ট করানোর বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, আসামিকে গ্রেপ্তারের পর আইন অনুযায়ী সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে। হাতকড়া পরানো নিয়েও বিতর্কের কিছু নেই।
যে আই